fbpx

‘দি ফেইস অব ফোর্টি ফাইভ ইয়ার্স অব হ্যাপিনেস ইন ক্রিকেট’

0

কোনো একটি বইয়ে জার্মান ফুটবলার লুথার ম্যাথিউসের ছবির নিচে লেখা ছিল ‘দি ফেইস থার্টি ফাইভ ইয়ার্স অব টেনশন ইন ফুটবল’। ম্যাথিউসের মতো পরিচিত কেউ নন, বিশ্বজোড়া নন্দিত নন, তবে ড্যারেন স্টিভেনের ক্রিকেট ক্যারিয়ার আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে, বিস্ময়ের কারণ হবে এতটুকু প্রায় নিশ্চিত। বয়স প্রায় ৪৫, কদিন আগেই করেছেন কাউন্টিতে সেঞ্চুরি; যে বয়সে পোঁছনোর অনেক আগেই মানুষ ব্যাট-প্যাড খুলে রাখে সেই বয়সে জিতলেন উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্যা ইয়্যারের পুরস্কার।

মজার ব্যাপার হচ্ছে ব্রাজিলিয়ান রোনালদোর চেয়ে বয়সে বড় স্টিভেন উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্যা ইয়্যারের পুরস্কার জিতেছেন রোনালদোর প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের ২৭ বছর পর।

ছবি: সংগৃহীত

অথচ বিপিলের ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে শেষই হয়ে যেতে পারত ড্যারেন স্টিভেনের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে। মোহাম্মদ আশরাফুল এবং অন্যদের সাথে সন্দেহভাজন হিসেবে আকসুর জেরার মুখে পড়েছিলেন স্টিভেন। তবে পরবর্তীতে নির্দোষ প্রমাণিত হন। সেই অভিজ্ঞতার কথা গণমাধ্যমের সামনে খোলাসা করেছিলেন তিনি নিজেই।

‘যখন আইসিসি তদন্ত শুরু করলো, তখন সব ক্রিকেটারের কাছেই তারা গিয়েছিল, সবাই বলেছে স্টিভেন সব জানে, ওকে ক্যাপ্টেন হতে বলা হয়েছিল’

২০১২ সালের বিপিএলে স্টিভেন খেলছিলেন ১২ ম্যাচ, শুনানির পর স্টিভেনসহ আরও পাঁচ ক্রিকেট নির্দোষ প্রমাণিত হন। একই ঘটনায় ভিন্ন মেয়াদে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন মোহম্মদ আশরাফুল, নিউজিল্যান্ডের ভিনসেন্ট এবং শ্রীলঙ্কার লুকারচি।

ছবি: সংগৃহীত

শরীরে লাগা ফিক্সিংয়ের মতো দাগ মুছে উঠে আসা, তারপরেও ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া। বয়স পয়তাল্লিশে এসে সেঞ্চুরি করা। কেন্টের এই ক্রিকেটার কোনো সন্দেহ ছাড়াই প্রশংসার দাবিদার। পুরস্কারও পেয়েছেন হাতেনাতে, উইজডেন থেকে করা হয়েছে সম্মানিত। ডাব্লিউ জি গ্রেসতো পঞ্চাশের পরেও ক্রিকেট খেলেছেন, স্টিভেন কবে থামবেন সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কেই-বা জানে।

Share.

Leave A Reply